Category Archives: ধর্ম

মুসলিম নারীর পর্দায় জরুরি শর্তসমূহ

প্রকাশিত : Sun, Dec 6th, 2015 বিভাগঃ ধর্ম মুসলিম নারীর পর্দায় জরুরি শর্তসমূহ

ইসলামে নারীর পর্দা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই কুরআন-হাদিসে এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা রয়েছে। তাই আজ আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করবো। পর্দার ক্ষেত্রে নারীকে যে সব মানতে হবে- ১. সমস্ত শরীর ঢাকা : আল্লাহ তাআলা বলেন, وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آَبَائِهِنَّ أَوْ آَبَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ

ঘুষ দিয়ে চাকরি নিলে, সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে ?

ঘুষ দিয়ে চাকরি নিলে, সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে ?

প্রশ্নঃ যদি কোনো ব্যক্তি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেয় তাহলে সে চাকরি থেকে যে বেতন পাবে তা তার জন্য হালাল হবে না কি হারাম? উত্তরঃ ঘুষ দেওয়া-নেওয়া হারাম। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা ও গ্রহিতাকে অভিসম্পাত করেছেন। তাই ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়া জায়েয হবে না। এতে একদিকে ঘুষ প্রদানের কবীরা গুনাহ হয়, অন্যদিকে ঘুষদাতা অযোগ্য হলে অন্য চাকরিপ্রার্থীর হক নষ্ট করারও গুনাহ হয়। তাই এমন কাজ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। আর ঘুষ প্রদান করা কবিরাহ গুনাহ। তাওবা করা ছাড়া কবিরাহ

আত্মীয়-স্বজন মারা গেলে কান্নাকাটি করা যাবে কি?

কী বলছে ইসলাম, আত্মীয়-স্বজন মারা গেলে কান্নাকাটি করা যাবে কি?

আমাদের সমাজে যদি কেউ মারা যান, তখন তার আত্মীয়-স্বজন হাউমাউ করে কেঁদে থাকেন। শুধু আমাদের দেশ নয়, পৃথিবীর সকল দেশের সকল মানুষই তার আত্মীয়-স্বজনদের জন্য কেঁদে থাকেন। কেউ কেউ আবার তিন-চারদিন বা আরও বেশি দিন কেঁদে থাকেন। আবার অনেক সময় যখন মৃত ব্যক্তির কথা মনে হয়, তখনই কাঁদেন। কিন্তু এ ব্যাপারে ইসলামের ব্যাখ্যা কী বলছে তা আপনি জানেন কি? নিচে হাদিসের আলোকে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মাইয়্যেতের চেহারা খুলে দেখা, চুম্বন করা, তিন দিন পর্যন্ত কান্না করা জায়েয। জাবির ইবন

কুরআন কেন বুঝে পড়া উচিত

কুরআন কেন বুঝে পড়া উচিত

কুরআন বিশ্ববাসীর জন্য আল্লাহ তায়ালার সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। বিশ্ববাসী যখন চরম অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, যখন কোথাও কোনো নিভু নিভু আলোর শিখাও পরিদৃষ্ট হচ্ছিল না, তখন কুরআন নিয়ে এলো মহা নিয়ামতের ভাণ্ডার হাতে। কুরআনের আলোয় আলোকিত হওয়ার কারণে মরুচারী যাযাবর জাতিগোষ্ঠীকে আল্লাহ তায়ালা সর্বকালের সর্বগুণে গুণান্বান্বিত জাতিতে পরিণত করলেন। শুধু তাই নয়, বিশ্বব্যাপী আদল ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের এমন কোনো শাখা-প্রশাখা নেই যেখানে কুরআন ওয়ালাদের অবদান নেই। অতঃপর এই কুরআন ওয়ালারা যখন কুরআন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লো, তখন

যে কারণে শুকরের মাংস নিষিদ্ধ ইসলামে

যে কারণে শুকরের মাংস নিষিদ্ধ ইসলামে

ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মের অনেকের কাছেই প্রিয় শুকরের মাংস। কিন্তু মুসলমানরা এ মাংস খান না। অনেকেই এটা নিয়ে তিরস্কার করেন মুসলিমদের। কিন্তু শুকরের মাংস কেন হারাম করা হয়েছে সেটা জানলে সবাই বলবে এটা নিষিদ্ধ হওয়াই উচিত। পিসটিভিতে ডা. জাকির নায়েকের প্রশ্ন উত্তর পর্বে বিষয়টি পরিস্কার করেছেন। আসুন জেনে নেই কেন শুকরের মাংস নিষিদ্ধ হলো ইসলামে। কুরআনে নিষিদ্ধতা শুকরের মাংস খাওয়া নিষেধ অন্তত চারটি স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে ২:১৭৩, ৫:৩, ৬:১৪৫, এবং ১৬:১১৫। সুরা বাকারায় বর্ণিত হয়েছে, ‘নিষিদ্ধ করা হলো তোমাদের

কোরআনের যে দশটি সূরা আপনাকে দশটি বিপদ থেকে বাঁচাবে

কোরআনের যে দশটি সূরা আপনাকে দশটি বিপদ থেকে বাঁচাবে

আল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন সময় নানা বিপদে ফেলে পরীক্ষা করে থাকে। শুধু ইহকালে নয় আল্লাহ মানুষকে পরকালেও পাপের শাস্তি দেবেন। ইহকালের বিপদ কিংবা পরকালের শাস্তির হাত থেকে তৎক্ষণাত রক্ষা পাওয়ার উপায় বলে দেয়া আছে আল কোরআনে। আল কোরআনের এমন দশটি সূরা আছে যেগুলো বিপদে পড়ার পর পাঠ করলে আল্লাহর রহমতে আপনি রক্ষা পাবেন। সূরা গুলো নিম্নরূপ- (১) সূরা ফতিহা আল্লাহর গজব হতে রক্ষা করবে। (২) সূরা ইয়াসীন কিয়ামতের দিন পিপার্সাত হওয়া থেকে রক্ষা করবে। (৩) সূরা দুখান কিয়ামতের দিনের ভয়াল অবস্থা

হজ কারা করবেন, ওমরা কারা করবেন?

হজ কারা করবেন, ওমরা কারা করবেন?

সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য জীবনে একবার হজ পালন অবশ্যকর্তব্য। আমরা সব সময় চর্চা করি না বলে হজ পালন সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা থাকে না। হজের শুদ্ধ পদ্ধতি, হজের প্রস্তুতি এসব বিষয়ে জানা আমাদের কর্তব্য। প্রশ্ন : আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, বাসায় যদি মা-বাবা অসুস্থ অবস্থায় থাকে এবং বৃদ্ধ অবস্থায় তাঁদের খেদমত করার মতো কেউ না থাকে, এমতাবস্থায় আমার সামর্থ্য আছে আমি হজ করতে পারব কি না। দ্বিতীয় : অনেক হিন্দু আছেন, তাঁরা আমাকে জানেন-চেনেন, তার পরও সালাম দেন। তাঁরা

মহানবী (সা.) যে ধরনের মেয়েদেরকে বিয়ে করতে বলেছেন!

মহানবী (সা.) যে ধরনের মেয়েদেরকে বিয়ে করতে বলেছেন!

আমাদের জীবনের প্রতিটি বিষয় ও দিকের মতো বিবাহর ক্ষেত্রে পাত্রী নির্বাচনের ব্যাপারে বেশ গুরুত্ব প্রদান করেছে ইসলাম। পাত্রী নির্বাচনের শর্ত এবং মৌলিক গুণাবলী বাতিয়ে সর্তক করেছে প্রতিটি বিবাহযোহগ্য আগ্রহী পুরুষকে। বরপক্ষের প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.) -এর দিকনির্দেশনার প্রতি আমরা তাকালে দেখতে পাব সেখানে তিনি ধর্মপরায়ণ নারী নির্বাচনের পরামর্শ দিয়েছেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে হাদিস বর্ণনা করেন যে, রূপ-সৌন্দর্য, ধন-সম্পদ, বংশমর্যাদা ও ধর্মভীরুতা- সাধারণত এ চার গুণের দিকে লক্ষ করে কোনো নারীকে বিয়ে করা হয়। শ্রোতা! তুমি ধার্মিককে গ্রহণ

বিজ্ঞানের আলোকে নামাজের অবিশ্বাস্য উপকারিতা

নামাজের অবিশ্বাস্য উপকারিতা

বিজ্ঞানের আলোকে নামাজের অবিশ্বাস্য ১১টি উপকারিতা: আমাদের পবিত্র কুরআন শরীফে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা অনেকেই ভাবি নামাজের উপকারিতা বলতে পরকালের শান্তির কথা বুঝি। আসলে শুধু তাই নয় নামাযে রয়েছে বিশাল উপকার আর এই বিজ্ঞান সম্মত এই উপকারের কথা বলা হয়েছে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যার সাথে বিজ্ঞানের মিল রয়েছে।কেবল মাত্র পবিত্র কুরআন শরীফের কথা ১০০% এর মধ্যে ৮০% বিজ্ঞান প্রমান করতে পেরেছে। আর বাকি ২০% বিজ্ঞান বের করতে পারেনি