স্ত্রীর ভালবাসা পাওয়ার কিছু টিপস

1433391506বিয়ে পুর্ব পরিকল্পনাঃ সুন্দর সংসার গড়ার জন্য বিবাহ পূর্ব পরিকল্পনা এবং পিতা মাতার অন্তর থেকে এবং অভিজ্ঞতার আলোকে প্রদানকৃত দোয়া খুবই প্রয়োজন। তাই প্রেমের বিয়ে Love Marriage পরিহার করুন। কেননা পর্দা রক্ষা করে কখনো প্রেম করা সম্ভব হয় না। নফসের খায়েসে পড়ে যদি প্রেম করেও ফেলেন তবৃও পিতা- মাতার অবাধ্য হয়ে প্রেমিক- প্রেমিকা নিজেরাই বা বন্ধু-বান্ধবের সহযোগীতায় বিয়ে পর্ব সমাপ্ত করবেন না। পিতা মাতাকে বুঝাতে চেষ্ঠা করুন। তারাই আপনাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালবাসেন। আর প্রেম পর্ব চলাকালে প্রেমের সাক্ষাতে কখনো মিথ্যার আশ্রয় নিবেন না। আপনি যা তাই তাকে বলুন। বিয়ের পর যদি আপনার অধিকাংশ কথা মিথ্যা প্রমাণিত হয় তাহলে এই বিয়ের শেষ পরিনতি বিচ্ছেদ। ব্যতিক্রম খুব কমই হয়। তাই পিতা মাতার পছন্দে পয়গাম পাঠিয়ে বিয়ে করাই উত্তম বিয়ে। পয়গাম পাঠানোর পুর্বে আল্লাহর সাহায্য কামনাঃ- কোন মেয়েকে যদি পছন্দ হয় এবং তাকেই যদি বিয়ে করার মনস্ত করেন বা আপনার পিতা মাতা কোন মেয়ের কথা বলে তাহলে তা কারো নিকট প্রকাশ না করার পুর্বে ভালভাবে অযু করে দু’রাকাত নফল নামাজ বা সম্ভব হলে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে সালাম ফিরানোর পর সুরা ফাতিহা পাঠ বা আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা মূলক কথা বলে এই দোয়াটি পড়বেন। (আরবী ফন্ট না থাকায় বাংলা অর্থ দেয়া হল) আমাদের ভাষা বাংলা দোয়া যেহুত নামাজের অংশ নয় তাই বাংলা ভাষাও দোয়া করলে আল্লাহ তায়ালা শুনবেন। তাই মনের মাধুরী মিশিয়ে অন্তর থেকে দোয়া করুন। “হে আল্লাহ, তুমি সক্ষম- আমি সক্ষম নই। তুমি জান- আমি জানিনা। তুমি অদৃশ্যের জ্ঞান রাখ, অদৃশ্য সম্পর্কে সম্যক জ্ঞত। তুমি জান যে অমৃক (যাকে বিয়ে করতে চান তার নাম বলুন) আমার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের দিক দিয়ে কল্যাণকর তবে তাকে আমার জন্য নিদিষ্ট কর। আর সে ছাড়া অন্য কোন মহিলা দুনিয়া ও আখিরাতের দিক দিয়ে আমার জন্য মঙ্গলজনক হয় তাহলে তাকে আমার জন্য নিদিষ্ট করো।সহী বোখারী ও তিরমিজী” তার পর পয়গাম পাঠান এবং আল্লাহর উপর দৃঢ় ভরসা রাখুন। আর দুই পরিবারের মাঝখানে বন্ধন রাকারীকে বলবেন কোন প্রকার প্রতারনার আশ্রয় যেন না নেওয়া হয়। ক্ষমতা অনুযায়ী মোহর নির্দ্ধারণ করাঃ- যতটুকু মোহর দেওয়ার মতা আপনার রয়েছে ততটুকু মোহর ঠিক করুন। বেশী মোহরানার বিনিময়ে কোন মহিলাকে বিবাহ করলে এবং তা পরিশোধের কোন ইচ্ছা না থাকে বা পরিশোধ ব্যতিত তালাক অথবা মৃতুবরণ করেন, তাহলে আল্লাহর নিকট এই বিবাহের সম্পর্কটা যিনা হিসাবে গৃহিত হবে। মোহরানা বেশী ধার্য করার পক্ষে যুক্তি হচ্ছে বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীকে যেন পরিত্যাগ না করে। যুক্তির মাপকাটিতে হয়তো নম্বার পাওয়া যাবে, তবে চিন্তার মাপকাটিতে কোন নম্বার পাওয়া যাবেনা। চিন্তা করুন যে সম্পর্ক সন্দেহের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে, ছেলের অতীত চারিত্রিক বৈশিষ্ট সম্পর্কে কোন প্রকার খোঁজ খবর পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে না। ছেলের অতীত চারিত্রিক বৈশিষ্ট সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে বিয়ে দিল অবশ্যই শুরুতে পরিত্যাগ করার কথা আসতেই পারে না। যেখানে পরিত্যাগ করার কথাই আগে আলোচিত হচ্ছে সেখাবে বিবাহের পর কিভাবে ভালবাসা আসতে পাবে??

Related Posts