চুল ভালো রাখার উপায়

amitumi_hair-grow-fastলাইফস্টাইল ডেস্ক : চুলের সমস্যা বেশ কয়েক রকম হতে পারে। যেমন বেশি বেশি চুল পড়া। চুল পড়া এড়ানোর জন্য আপনি মাথার ত্বকে ম্যাসেজ করতে পারেন। প্রতিদিন চিড়ুনী দিয়ে মাথা আঁচড়ানোর সময়ে হালকাভাবে চাপ প্রয়োগ করুন। তারপর সামনে থেকে পেছনে আঁচড়ান। আবার উল্টোভাবে করুন। এতে মাথার ত্বকে রক্তসংঞ্চালন দ্রুত হয়ে যাবে।

 

এছাড়া চুলের জন্য পুষ্টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন বি.৫ এবং ট্রেস উপাদান চুলের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি প্রদান করতে পারে। এখানে এক ধরনের খাবারের কথা উল্লেখ করা যায়। কালো তিল বীজের মধ্যে ব্যাপক প্রোটিন ও ভিটামিন-ই সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে।

 

দ্বিতীয় সমস্যা খুশকি। চুলে খুশকি থাকলে তা দেখতে ভালো লাগে না। জেনেটিক কারণে খুশকি সৃষ্টি হতে পারে। যাদের মাথায় খুশকি থাকে, তাদের উচিত প্রতিদিন ভালো করে চুল ধোয়া। তা না হলে মাথার ত্বকে খুশকি বসে যেতে পারে। শুরুতে আপনি প্রতিদিন খুশকি মুক্ত শ্যাপু ব্যবহার করতে পারেন। খুশকি কমে যাওয়ার পর পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে এক বা দুবার করে সে ধরনের শ্যাপু ব্যবহার করতে পারেন।

 

স্বাস্থ্যকর চুল দেখতে কালো চকচকে, সফট ও স্মুথ মনে হয়। কিন্তু অনেকের চুল হলুদ, কালো চকচকে নয়। এ ধরনের চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হয়। গরম পানি দিয়ে গোসল করার সময়ে চুল টাওয়েল দিয়ে বেঁধে করুন। ১০ থেকে ২০ মিনিটের কন্ডিশনার করার পর টাওয়েল খুলে ফেলুন।

 

চুলের ডগা ফাটা আরেকটি বড় সমস্যা। চুল ধোয়া বা মোছার সময়ে ওপর থেকে নীচে এভাবে করুন। পাশাপাশি হাতের তালুতে চুল রেখে ঘর্ষণ তৈরি হয় এভাবে পরিস্কার বা না ধোওয়াই ভাল। কেননা চুল টানটান বা ওপর থেকে নিচ এই পর্যায়ে অনেক বেশি সহনশীল কিন্তু পাশাপাশি বা ঘর্ষণে সহজেই চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে।

 

সব সময়ে ফেটে যাওয়া চুলের ডগাগুলো কেটে ফেলুন। এটি হল এ সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে দ্রুত উপায়। যদি আপনার চুলে এ সমস্যা থাকে, তাহলে বেশি লম্বা চুল না রাখাই ভালো।

 

তথ্যসূত্র: সিআরআই অনলাইন

 

Related Posts