আসুন জেনে নেই নিমপাতার ব্যবহার!

নিমপাতার ব্যবহার!আমরা সবাই জানি নিমের স্বাদ তেতো। কিন্তু তেতো স্বাদের এই বস্তুটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। সৌন্দর্যচর্চা ও আয়ুর্বেদিক উপাদান হিসেবে নিম প্রাচীনকাল থেকেই বেশ জনপ্রিয়। ভেষজ চিকিৎসার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার ব্যাপক।

নিয়মিত নিমপাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। তবে হলুদ ব্যবহার করলে রোদ এড়িয়ে চলাই ভালো। নিমপাতার চেয়ে হলুদের পরিমাণ কম হবে।

– নিম পাতা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে রেখে দিতে পারেন পরবর্তীতে ফেসমাস্ক হিসেবে ব্যবহার করার জন্য।

– নিমপাতা ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলে নিমপাতা থেঁতো করে লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত।

– মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়, নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে, চুল শক্ত হয়, চুলের শুষ্কতা কমে যায় এবং চুল গজানো তরান্বিত হয়।

– ত্বকের চুলকানিতেও নিমপাতা বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

– নিমের তেলে প্রচুর ভিটামিন ই থাকে যা ত্বক এবং চুলের জন্য উপকারী।

– নিমপাতা সেদ্ধ পানি গোসলের পানির সাথে মিশিয়ে নিন। যাদের ত্বকে চুলকানি আছে তাদের এতে আরাম হবে আর গায়ে দুর্গন্ধের ব্যাপারটাও কমে যাবে আশা করা যায়।

– নিমপাতা সেদ্ধ পানি বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। কোন ফেসপ্যাক পেস্ট করার সময় পানির বদলে এই নিম পানি ব্যবহার করতে পারেন।

– নিমের ডাল যে দাঁতের জন্য উপকারী সে কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মুখের দুর্গন্ধ ও দাঁতের জীবাণু রোধে এটি বেশ কার্যকরী।

– কাটা ছেড়া বা পোড়া স্থানে নিম পাতার রস ভেষজ ওষুধের মতো কাজ করে।

Related Posts