অপরূপা হয়ে উঠুন তেজপাতার গুনে

অপরূপা হয়ে উঠুন তেজপাতার গুনেতেজপাতা সকলের কাছেই পরিচিত একটি নাম। এই নামের সাথে সকলেই পরিচিত থাকলেও এর গুণ সম্পর্কে অনেকেই হয়তো অবগত নয়। আপনি জেনে অবাক হবেন যে এই পাতার পুষ্টিগুণ আপনার শারীরিক নানা সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। তেজপাতার অসাধারণ কিছু ব্যবহারের মধ্যে আর একটি অবাক করা গুণ হচ্ছে রূপচর্চা। রূপচর্চায় এর জুরি নেই।

জেনে নিন রূপচর্চায় তেজপাতার অসাধারণ কিছু গুণের কথা:

১. ৫০ গ্রাম তেজপাতা গুঁড়ো করে নিয়ে ৪০০ মিলি জলে জ্বাল দিতে থাকুন, যতক্ষণ না ১০০ মিলিতে পৌঁছায়। শুকিয়ে এলে ছেঁকে জল আলাদা করে নিন। সেই জল চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে ম্যাসেজ করে নিন। ৩-৪ঘণ্টা রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। ব্যস, উকুন সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

২. জলে তেজপাতা ভালো করে ফুটিয়ে তা ছেঁকে নিয়ে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এতে চুল পড়ার সমস্যা একেবারেই দূর হয়ে যাবে। এছাড়াও তেজপাতার তেল মাথার ত্বকে লাগালে চুলের খুশকি সমস্যা থেকেও দ্রুত রেহাই পাবেন।

৩. একটি প্যানে ২ কাপ জলে ৫ টি শুকনো তেজপাতা নিয়ে ঢেকে জ্বাল দিন। এরপর ঢাকনা খুলে ২ মিনিট জ্বাল দিয়ে একটি সসপ্যানে নামিয়ে নিন। এরপর একটি তোয়ালে দিয়ে মাথাসহ সসপ্যানটি ঢেকে ভাপ আপনার ত্বকে নিন। এভাবে মিনিট দশেক ভাপ নিলেই যথেষ্ট। সপ্তাহে দু’বার এভাবে করুন, ব্রণ ও রিংকেল সমস্যার সমাধান থাকবে না।

৪. কাঁচা তেজপাতা অলিভ অয়েলে ফুটিয়ে তেজপাতার তেল তৈরি করে নিতে পারে। এই তেল দেহে ব্যবহার করলে মশা থাকবে দূরে এবং মশার কামড়ের জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

৫. তেজপাতার অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের যে কোনও ইনফেকশন দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ছোটখাটো কাটা ছেঁড়া, জখমের দাগ এবং পোকামাকড়ের কামড়ের সমস্যা সহজেই দূর করতে পারেন কাঁচা তেজপাতার রসের মাধ্যমে।

৬. তেজপাতা গুঁড়ো করে টুথপেস্টের সঙ্গে মিশিয়ে তা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। দেখবেন খুব দ্রুত দাঁতের হলদেটে দাগ একেবারেই দূর হয়ে গিয়েছে। তবে ঘন ঘন এই পদ্ধতি অবলম্বন করবেন না।

Related Posts